ভোটার তালিকা পরিষ্করণ? কমিশনের নাগরিকত্ব যাচাইকরণ নিয়ে উদ্বেগ – এটা শুধু নির্বাচন নিয়ে নয়, ياar!

geopolitics
ভোটার তালিকা পরিষ্করণ? কমিশনের নাগরিকত্ব যাচাইকরণ নিয়ে উদ্বেগ – এটা শুধু নির্বাচন নিয়ে নয়, ياar!

কমিশনের চাল: গভীরে ডুব দেওয়া

আচ্ছা, শুনুন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সুপ্রিম কোর্টকে বলছে যে তারা ভোটার তালিকায় কাউকে যুক্ত করার আগে নাগরিকত্ব যাচাই করতে অধিকারপ্রাপ্ত? সিরিয়াসলি? এটা কোনো ছোটখাটো পদ্ধতিগত পরিবর্তন নয়, বন্ধুরা। এটি ইসি-র ভূমিকা পরিবর্তনের একটি মৌলিক পদক্ষেপ, এবং সত্যি বলতে এটাfishy গন্ধ পাচ্ছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্টটি কেবলtip of the iceberg। আমরা মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষকে – এবং কাদের কথা বলছি? ঐতিহাসিক দিক থেকে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, সংখ্যালঘু এবং সীমান্ত অঞ্চলের বাসিন্দাদের – ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার কথা বলছি। সরল হবেন না।

আইনি ফাঁকফোকর ও রাজনৈতিক চাল

ইসি যুক্তি দিচ্ছে যে তারা ‘পরিষ্কার’ ভোটার তালিকা নিশ্চিত করতে এই ক্ষমতা প্রয়োজন। কাদের জন্য পরিষ্কার? বর্তমান ব্যবস্থা, যদিও নিখুঁত নয়, বিদ্যমান নথি এবং যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার উপর নির্ভর করে। CAA এবং NRC-এর চলমান বিতর্ককে देखते हुए নাগরিকত্বের যাচাইকরণ যুক্ত করা একটি disaster-এর recipe। এটি arbitrary সিদ্ধান্ত, হয়রানি এবং ইতিমধ্যেই বৈষম্যের শিকার হওয়া মানুষদের systematic exclusion-এর দরজা খুলে দেয়। সুপ্রিম কোর্টের শুনানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে, তবে এটা স্পষ্ট: ইসি একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য একটি আইনি যুক্তির সুযোগ নিচ্ছে।

ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব – ব্যালট বক্সের বাইরে

এটা শুধু আগামী নির্বাচনে কে ভোট দেবে সে বিষয়ে নয়। এটি ভারতের নাগরিকত্ব এবং belonging-এর বৃহত্তর narrative-এর সাথে সম্পর্কিত। এটি আমরা যে divisive rhetoric দেখে আসছি, তাতে অবদান রাখে, এবং যারা প্রভাবশালী narrative-এ फिट হন না তাদের জন্য একটি chilling message পাঠায়। আন্তর্জাতিকভাবে, এটি গভীর উদ্বেগের সাথে দেখা হবে। এটি ভারতের এমন একটি জাতি হিসেবে উপলব্ধি আরও শক্তিশালী করে, যা নিজের পরিচয় এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারের সাথে संघर्ष করছে। ভারতের soft power, প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক এবং বিশ্ব মঞ্চে তার অবস্থান সম্পর্কে চিন্তা করুন। এটা ভালো নয়, বিশ্বাস করুন।

‘বাস্তব পরিস্থিতি’ – বিশৃঙ্খলা প্রত্যাশা করুন

বাস্তববাদী হোন। এটি বৃহৎ পরিসরে বাস্তবায়ন করা একটি logistical nightmare হবে। বিদ্যমান bureaucracy ইতিমধ্যেই overburdened। দীর্ঘ সারি, bureaucratic বাধা এবং ব্যাপক বিভ্রান্তি আশা করুন। আর এই বিশৃঙ্খলের brunt কে বহন করবে? দরিদ্র, অশিক্ষিত এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষ – যারা তাদের উদ্বেগ জানানোর জন্য ভোট দেওয়ার অধিকারের উপর নির্ভর করে। এটি তাদের অংশগ্রহণের suppression-এর একটি ইচ্ছাকৃত কৌশল।

কী করা দরকার – একটি শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া

আমাদের একটি multi-pronged approach দরকার। প্রথমত, সুপ্রিম কোর্টকে ইসি-র অনুরোধটি অত্যন্ত সতর্কতার সাথে খতিয়ে দেখতে হবে। দ্বিতীয়ত, civil society organizations-কে mobilize করতে হবে এবং হয়রানি বা বৈষম্যের যেকোনো ঘটনার নথিভুক্ত করতে হবে। তৃতীয়ত, বিরোধী দলগুলোকে একত্রিত হয়ে এই পদক্ষেপের সরাসরি বিরোধিতা করতে হবে। এবং সবশেষে, আমাদের, নাগরিকদের, এই গণতান্ত্রিক নীতির erosion-এর বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে এবং প্রতিবাদ করতে হবে। এটা শুধু নির্বাচন নিয়ে নয়; এটা ভারতের আত্মার সাথে সম্পর্কিত। Aukat mein rehna hai, ইসি। এটা বেশি করবেন না।