‘নিম্ন আদালত’ সমস্যা: দীর্ঘদিনের একটি জটিলতা
আচ্ছা, पंजाब ও হরিয়ানা হাইকোর্ট অবশেষে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। আর কোনো ‘নিম্ন আদালত’ নয়। তারা চায় সবাই ‘மாவட்ட আদালত’ বা ‘বিচার আদালত’ এই নামে ডাকুক। শুনতে সহজ মনে হচ্ছে, তাই না? ভুল। এটা শুধু সুন্দর শব্দ ব্যবহারের বিষয় নয়; এটা ধারণা, ক্ষমতা এবং বিচার ব্যবস্থার মধ্যে অনেক অহংকারের বিষয়ে। বহু বছর ধরে ‘নিম্ন আদালত’ শব্দটিতে একটি অবমাননাকর অর্থ লেগে আছে – যা দুর্বলতা, কর্তৃত্বের অভাব বোঝাচ্ছে। সত্যি বলতে, কে ‘নিম্ন’ শব্দটির সাথে যুক্ত হতে চাইবে? এটা সূক্ষ্মভাবে এই আদালতগুলোর কঠোর পরিশ্রম এবং তৃণমূল স্তরে ন্যায়বিচার বিতরণে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে দুর্বল করে দেয়।
কেন এখন? কৌশলগত সময়
এই নির্দেশ জারির সময়টি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। আমরা বিচার বিভাগের উপর ক্রমবর্ধমান নজরদারি, বিচারিক বিলম্ব নিয়ে বিতর্ক এবং বৃহত্তর জবাবদিহিতার জন্য সাধারণ চাপ দেখতে পাচ্ছি। এই পদক্ষেপটিকে হাইকোর্টের পক্ষ থেকে নিজেদের শক্তিশালী ও নিয়ন্ত্রণের ভাবমূর্তি তৈরি করার একটি সক্রিয় প্রচেষ্টা হিসেবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। এটা বলার একটি সূক্ষ্ম উপায়, ‘আমরাই প্রধান, এবং আমরাই মান নির্ধারণ করছি।’ ভাবুন তো – হাইকোর্টের জন্য এটা একটি সহজ জয়, কোনো কঠিন বিষয় যেমন মামলার জট বা অপর্যাপ্ত পরিকাঠামো মোকাবিলা না করেও ক্ষমতার একটি দৃশ্যমান প্রদর্শন।
ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জন আস্থা
এবার একটু গভীরে যাওয়া যাক। এটা শুধু একটি আঞ্চলিক বিষয় নয়। এটি ভারতের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং জন আস্থার একটি বৃহত্তর উদ্বেগকে প্রতিফলিত করে। বিচারিক বিলম্ব এবং অনুভূত পক্ষপাতিত্ব সম্পর্কে ক্রমাগত সমালোচনার কারণে জনগণের আস্থা কমে গেছে। এই নির্দেশ সরাসরি সেই উদ্বেগগুলো সমাধান না করলেও, এটি বিচার ব্যবস্থার মধ্যে একটি সুস্পষ্ট এবং সম্মানজনক শ্রেণিবিন্যাস বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে। একটি ভাঙা, অবমাননাকর ব্যবস্থা অবিশ্বাস তৈরি করে।
উপরন্তু, ভাষার ব্যবহার জন perceptions-কে আকার দেয়। ‘নিম্ন আদালত’ শব্দটি বাতিল করে, হাইকোর্ট পুরো বিচার প্রক্রিয়ার একটি আরও ঐক্যবদ্ধ এবং dignified ভাবমূর্তি তৈরি করার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে একটি জটিল ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ এবং একটি প্রাণবন্ত, প্রায়শই সমালোচনামূলক মিডিয়া ল্যান্ডস্কেপ-সহ একটি দেশে, জনগণের চোখে বিচার বিভাগের বৈধতা বজায় রাখার জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সম্ভাব্য প্রভাব: অন্যান্য হাইকোর্টগুলো কি অনুসরণ করবে?
এটা বড় প্রশ্ন। ভারতের অন্যান্য হাইকোর্টগুলো কি এই পদক্ষেপ অনুসরণ করবে এবং ‘নিম্ন আদালত’ শব্দটি নিষিদ্ধ করবে? এটা খুবই সম্ভব। এই নির্দেশ একটি নজির স্থাপন করেছে, এবং হাইকোর্টগুলো স্বভাবতই প্রতিযোগিতামূলক। একটি ডমিনো প্রভাব আশা করুন – বিচারিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার এবং শক্তির ভাবমূর্তি তৈরি করার জন্য একটি দৌড় শুরু হবে। তবে, আসল পরীক্ষাটি হলো এই হাইকোর্টগুলো কি সেই substantive বিষয়গুলোকেও সমাধান করবে যা বিচারিক ব্যবস্থার প্রতি জনগণের অসন্তোষের কারণ। শুধু নাম পরিবর্তন করলে সমস্যা সমাধান হবে না, তাই না?
সারসংক্ষেপ: যা দেখা যাচ্ছে তার চেয়ে বেশি কিছু
এটাকে শুধু একটি ভাষাগত বিষয় হিসেবে উড়িয়ে দেবেন না। पंजाब ও হরিয়ানা হাইকোর্টের নির্দেশ বিচারিক শ্রেণিবিন্যাস, জন perception এবং ভারতের আইনি ব্যবস্থার বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের জন্য উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে এমন একটি হিসাব করা পদক্ষেপ। এটা ক্ষমতার খেলা, একটি PR অনুশীলন এবং পরিবর্তনের একটি সম্ভাব্য অনুঘটক – তবে সেই পরিবর্তন কতটা অর্থবহ হবে তা এখনও বলা যাচ্ছে না। আ Bhi toh yeh shuruwat hai.